প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টি: প্রাসঙ্গিকতা ও তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টি: প্রাসঙ্গিকতা ও তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রামে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টির প্রাসঙ্গিকতা ও তরুণ প্রজন্মের ভাবনা নিয়ে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টি: প্রাসঙ্গিকতা ও তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কমিটির আয়োজনে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কলা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ। তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টির প্রাসঙ্গিকতা এবং তরুণ প্রজন্মের চিন্তা ও সমাজে নজরুলের সাহিত্যভাবনার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।
মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও আদর্শের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নজরুলের অসাম্প্রদায়িকতা, সাম্য, মানবতা ও স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, নজরুলের চিন্তা ও আদর্শকে বাস্তব জীবনে ধারণ ও প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি নজরুল বর্ষের বিভিন্ন আয়োজনের সফলতা কামনা করেন।
রেজিস্ট্রার তাঁর বক্তব্যে বলেন, নজরুল আমাদের অসংকীর্ণ হতে শিখিয়েছেন এবং স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করতে শিখিয়েছেন। মানুষের অধিকার ও সবাইকে সমানভাবে দেখার শিক্ষা নজরুলের সাহিত্য ও চিন্তায় সুস্পষ্ট। এসব আদর্শ শুধু আলোচনা বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। নজরুল বর্ষের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে নবচেতনা ও জাতীয় চেতনা জাগ্রত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্যদের বিভিন্ন আয়োজন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও নজরুলের আদর্শ ও চেতনাকে সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন স্বাধীনতা, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, শোষণ, অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তিনি তাঁর সাহিত্য ও কর্মের মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন। নজরুলকে শুধু কবি হিসেবে নয়, তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক চিন্তার আলোতেও মূল্যায়ন করতে হবে। মানুষের অধিকার, সাম্য ও সমাজের কল্যাণে নজরুলের আদর্শ অনুসরণ করে বর্তমান প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন স্বাধীনতা, মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি তাঁর কবিতা ও লেখনীর মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন এবং মানুষের অধিকার ও মুক্তির কথা বলেছেন। তাঁর ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাসহ বিভিন্ন রচনায় শোষণ, অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট। তিনি আরও বলেন, নজরুলকে শুধু কবি হিসেবে নয়, তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক চিন্তার প্রেক্ষাপটেও বুঝতে হবে। নজরুল চেয়েছিলেন মানুষের অধিকার ও সমাজের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ শক্তির মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে। তাঁর চিন্তার মূল ভিত্তি ছিল সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা, মানবমুক্তি ও মানুষের মর্যাদা। তাই বর্তমান প্রজন্মের উচিত নজরুলের এই চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে সমাজ ও দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর জনাব সাদাত জামান খান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক জনাব সঞ্জয় বিশ্বাস।
সেমিনারের অংশ হিসেবে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফলও ঘোষণা করা হয়। রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন ইংরেজি বিভাগের মেহেরুন্নেসা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন গণিত বিভাগের উর্মিলা রানী এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন আর্কিটেকচার বিভাগের মেহেরুন নাহার।
গান প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বিবিএ বিভাগের ইমু ধর, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন সিএসই বিভাগের পুষ্পিতা দে এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ইইই বিভাগের প্রিয়াংকা দে।
নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বিবিএ বিভাগের জোয়ারিয়া মোস্তফা ইন্নি, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন ডিইএল বিভাগের ঐদ্রিলা ঘোষ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন এসএসডি বিভাগের নবনীতা ধর।
আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বিবিএ বিভাগের জোয়ারিয়া মোস্তফা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন ডিইএল বিভাগের মেহেরুন নেসা এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ডিইএল বিভাগের সায়মা সোহেলী দিনা।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
Related News
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টি: প্রাসঙ্গিকতা ও তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টি: প্রাসঙ্গিকতা ও তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার
Saturday, 3 October, 2026
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টি: প্রাসঙ্গিকতা ও তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রামে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টির প্রাসঙ্গিকতা ও তরুণ প্রজন্মের ভাবনা নিয়ে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টি: প্রাসঙ্গিকতা ও তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কমিটির আয়োজনে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কলা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ। তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যসৃষ্টির প্রাসঙ্গিকতা এবং তরুণ প্রজন্মের চিন্তা ও সমাজে নজরুলের সাহিত্যভাবনার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।
মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও আদর্শের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নজরুলের অসাম্প্রদায়িকতা, সাম্য, মানবতা ও স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, নজরুলের চিন্তা ও আদর্শকে বাস্তব জীবনে ধারণ ও প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি নজরুল বর্ষের বিভিন্ন আয়োজনের সফলতা কামনা করেন।
রেজিস্ট্রার তাঁর বক্তব্যে বলেন, নজরুল আমাদের অসংকীর্ণ হতে শিখিয়েছেন এবং স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করতে শিখিয়েছেন। মানুষের অধিকার ও সবাইকে সমানভাবে দেখার শিক্ষা নজরুলের সাহিত্য ও চিন্তায় সুস্পষ্ট। এসব আদর্শ শুধু আলোচনা বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। নজরুল বর্ষের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে নবচেতনা ও জাতীয় চেতনা জাগ্রত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্যদের বিভিন্ন আয়োজন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও নজরুলের আদর্শ ও চেতনাকে সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন স্বাধীনতা, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, শোষণ, অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তিনি তাঁর সাহিত্য ও কর্মের মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন। নজরুলকে শুধু কবি হিসেবে নয়, তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক চিন্তার আলোতেও মূল্যায়ন করতে হবে। মানুষের অধিকার, সাম্য ও সমাজের কল্যাণে নজরুলের আদর্শ অনুসরণ করে বর্তমান প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন স্বাধীনতা, মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি তাঁর কবিতা ও লেখনীর মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন এবং মানুষের অধিকার ও মুক্তির কথা বলেছেন। তাঁর ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাসহ বিভিন্ন রচনায় শোষণ, অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট। তিনি আরও বলেন, নজরুলকে শুধু কবি হিসেবে নয়, তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক চিন্তার প্রেক্ষাপটেও বুঝতে হবে। নজরুল চেয়েছিলেন মানুষের অধিকার ও সমাজের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ শক্তির মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে। তাঁর চিন্তার মূল ভিত্তি ছিল সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা, মানবমুক্তি ও মানুষের মর্যাদা। তাই বর্তমান প্রজন্মের উচিত নজরুলের এই চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে সমাজ ও দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর জনাব সাদাত জামান খান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক জনাব সঞ্জয় বিশ্বাস।
সেমিনারের অংশ হিসেবে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফলও ঘোষণা করা হয়। রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন ইংরেজি বিভাগের মেহেরুন্নেসা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন গণিত বিভাগের উর্মিলা রানী এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন আর্কিটেকচার বিভাগের মেহেরুন নাহার।
গান প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বিবিএ বিভাগের ইমু ধর, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন সিএসই বিভাগের পুষ্পিতা দে এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ইইই বিভাগের প্রিয়াংকা দে।
নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বিবিএ বিভাগের জোয়ারিয়া মোস্তফা ইন্নি, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন ডিইএল বিভাগের ঐদ্রিলা ঘোষ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন এসএসডি বিভাগের নবনীতা ধর।
আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বিবিএ বিভাগের জোয়ারিয়া মোস্তফা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন ডিইএল বিভাগের মেহেরুন নেসা এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ডিইএল বিভাগের সায়মা সোহেলী দিনা।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।